ইনিশিয়েটিভ ফর স্টুডেন্টস
Where Financial & Educational Challenges Meet Compassionate Solutions
নিচে ইনিশিয়েটিভ ফর স্টুডেন্টস (Initiative for Students - INS) সম্পর্কে সাধারণভাবে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও তার উত্তর দেওয়া হলো। প্রশ্ন খুঁজতে সার্চ বক্স ব্যবহার করুন অথবা ক্যাটাগরি বেছে নিন।
ইনিশিয়েটিভ ফর স্টুডেন্টস (INS) একটি শিক্ষামূলক, স্বেচ্ছাসেবী ও অরাজনৈতিক সংস্থা, যা ২৪ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য মেধাবী কিন্তু আর্থিকভাবে সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের কর্জে হাসানা (সুদমুক্ত ঋণ), বৃত্তি, শিক্ষা-উপকরণ ও দিকনির্দেশনার মাধ্যমে সহযোগিতা করা।
ইনস এমন একটি বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখে, যেখানে আর্থিক সংকট বা দিকনির্দেশনার অভাবে কোনো শিক্ষার্থীর একাডেমিক যাত্রা থেমে যাবে না — যেখানে মেধাই, সামর্থ্য নয়, একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।
- আর্থিক সংকটে থাকা শিক্ষার্থীদের কর্জে হাসানা প্রদান
- মেধাবী কিন্তু সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের বৃত্তি ও স্টাডি গ্রান্ট প্রদান
- শিক্ষামূলক ক্যাম্পেইন ও মেন্টরশিপ প্রোগ্রাম পরিচালনা
- ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের কাঠামোবদ্ধ প্রস্তুতিতে দিকনির্দেশনা
- সাশ্রয়ী ও মানসম্পন্ন একাডেমিক বই প্রকাশ ও বিতরণ
- অফলাইন ও অনলাইনে কোচিং প্রোগ্রাম গড়ে তোলা
- নৈতিক ও মানসম্পন্ন ছাত্রজীবন গঠনে প্রেরণা প্রদান
- শিক্ষার্থী কল্যাণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের সাথে সহযোগিতা
ইনস পাঁচটি মূল কার্যক্রমের মাধ্যমে কাজ করে — (১) কর্জে হাসানা, (২) বৃত্তি ও স্টাডি গ্রান্ট, (৩) ক্যাম্পেইন ও মেন্টরশিপ, (৪) ইনস পাবলিকেশনস, এবং (৫) ইনস কোচিং ও একাডেমিক গাইডেন্স। প্রতিটি কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে সংশ্লিষ্ট পাতা দেখুন।
বাসা নং- ০৪, রোড নং- ১২, পিসিকালচার হাউজিং সোসাইটি, শেখেরটেক, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭।
কর্জে হাসানা হলো ইনস-এর প্রতিষ্ঠাকালীন ও প্রধানতম কার্যক্রম — সেমিস্টার ফি, হোস্টেল/মেস বকেয়া, দৈনন্দিন খরচ বা শিক্ষা-উপকরণের জন্য সাময়িক আর্থিক সংকটে থাকা শিক্ষার্থীদের প্রদত্ত সুদমুক্ত ঋণ।
বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিক্যাল কলেজে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা, যারা টিউশন/স্কলারশিপ/পারিবারিক সহায়তা দেরিতে পাওয়ার মতো সাময়িক আর্থিক সংকটে আছেন, তারা আবেদন করতে পারেন।
সাধারণত সর্বোচ্চ তিন মাসের জন্য। দীর্ঘমেয়াদি প্রয়োজনের ক্ষেত্রে সময়সীমা বাড়ানো হয় এবং প্রতিটি আবেদনকারীর ব্যক্তিগত পরিস্থিতি বিবেচনা করা হয়।
ওয়েবসাইটের নির্ধারিত আবেদন ফরম পূরণ করে জমা দিতে হয়। এরপর ইনস টিম তথ্য যাচাই করে, যোগ্য আবেদনকারীকে অনুমোদন দেয় এবং নির্ধারিত পদ্ধতিতে অর্থ বিতরণ করা হয়। পরিশোধিত অর্থ পরবর্তী প্রয়োজনীয় শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে যায়।
ফেব্রুয়ারি ২০২৪ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিক্যাল কলেজের ১৬০+ শিক্ষার্থী কর্জে হাসানার মাধ্যমে উপকৃত হয়েছেন।
স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা বা বিশ্ববিদ্যালয়/মেডিক্যাল পর্যায়ের মেধাবী কিন্তু আর্থিকভাবে অসুবিধাগ্রস্ত শিক্ষার্থীরা মেধাভিত্তিক বৃত্তি বা এককালীন স্টাডি গ্রান্টের জন্য আবেদন করতে পারেন — বিশেষত যাদের পরীক্ষা/রেজিস্ট্রেশন/ভর্তি ফি জোগাড় করা কঠিন হয়ে পড়ে।
বর্তমানে ইনস মূলত মেধাভিত্তিক বৃত্তি ও এককালীন স্টাডি গ্রান্ট দিয়ে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিক্যাল পর্যায়ে দুই থেকে চার বছর মেয়াদি দীর্ঘমেয়াদি বৃত্তি চালুর কাজ চলমান।
স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় কাঠামোবদ্ধ ক্যাম্পেইন পরিচালিত হয়, যেখানে ভর্তি কৌশল, ক্যারিয়ার পরিকল্পনা ও ব্যক্তিগত উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করা হয়।
মেন্টররা হলেন ইতোমধ্যে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিক্যাল কলেজে অধ্যয়নরত অভিজ্ঞ শিক্ষার্থী, যারা ইনস গাইডলাইন গ্রুপের মাধ্যমে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের সরাসরি দিকনির্দেশনা দেন।
ইনস গাইডলাইন গ্রুপের মাধ্যমে ২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ সেশনে ভর্তি মেন্টরশিপ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে, এবং ২০২৬-২৭ সেশনের প্রোগ্রাম বর্তমানে চলমান।
Victory Grammar — SSC/দাখিল ও HSC/আলিম শিক্ষার্থীদের জন্য প্রকাশিত (২০২৫-২৬)। INS Question Bank — বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি-কেন্দ্রিক গাইড, জুন ২০২৬-এ প্রকাশিতব্য। এছাড়া বাংলা, ইংরেজি ও সাধারণ জ্ঞান সিরিজ বর্তমানে প্রস্তুতিরত।
প্রকাশিত বই থেকে প্রাপ্ত মুনাফা কেবল শিক্ষার্থী ও ইনস-এর ভবিষ্যৎ কার্যক্রমে ব্যবহৃত হয় — যেমন বই পুনর্মুদ্রণ ও নতুন বই রচনায় লেখকদের সহায়তা প্রদান।
হ্যাঁ। আর্থিক হার্ডশিপ থাকলে বই স্বল্প মূল্যে বা বিনামূল্যে প্রদান করা হয়, এবং ইনস ক্যাম্পেইনের মেধাবী শিক্ষার্থীদের স্বীকৃতিস্বরূপ বই উপহার দেওয়া হয়।
দক্ষ শিক্ষক ও অভিজ্ঞ মেন্টরদের সমন্বয়ে গড়া একটি নিয়মানুবর্তী, রুটিন-ভিত্তিক একাডেমিক গাইডেন্স প্রোগ্রাম, যা অফলাইন ও অনলাইন উভয় মাধ্যমে পরিচালিত হবে।
ইনস কোচিং সেন্টার শীঘ্রই চালু হতে যাচ্ছে। আপডেট জানতে আমাদের সাথে যোগাযোগ রাখুন।
বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন পূরণে সত্যিকার অর্থে আগ্রহী ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
সাধারণ সদস্য (৳১,০০০), সহযোগী সদস্য (৳৫০০), প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, আজীবন সদস্য (৳৫,০০০), সাধারণ দাতা সদস্য (৳১০,০০০), সিলভার দাতা (৳৫০,০০০–১,০০,০০০), গোল্ডেন দাতা (৳১,০০,০০০–৩,০০,০০০), ডায়মন্ড দাতা (৳৩,০০,০০০+), বৈদেশিক দাতা সদস্য ($২০০), এবং সাধারণ অংশগ্রহণকারী (যেকোনো পরিমাণ)। বিস্তারিত জানতে "সদস্য হওয়ার নিয়মাবলি" পাতা দেখুন।
সহযোগী সদস্যপদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৳৫০০ প্রয়োজন। সাধারণ অংশগ্রহণকারী হিসেবে যেকোনো পরিমাণ অর্থ দিয়েও অবদান রাখা যায়।
হ্যাঁ। প্রবাসী বাংলাদেশি ও আন্তর্জাতিক সহযোগীরা ২০০ মার্কিন ডলার প্রদান করে বৈদেশিক দাতা সদস্য ক্যাটাগরিতে যুক্ত হতে পারেন।
হ্যাঁ, প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন কৌশলগত সহযোগী হিসেবে অর্থায়ন, সম্পদ বা প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার মাধ্যমে ইনস-এর সাথে যুক্ত হতে পারে।
সাধারণ ও সহযোগী সদস্যকে শিক্ষার্থী হতে হয়; নির্ধারিত ফরম পূরণ করতে হয়; শিক্ষামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের আগ্রহ থাকতে হয়; এবং দেশ-বিদেশের যেকোনো স্থান থেকে নিয়মানুযায়ী যুক্ত হওয়া যায়।
সংস্থার লক্ষ্য-উদ্দেশ্যের সাথে একমত ব্যক্তিদের অনুদান এবং বিশেষ কার্যক্রমের জন্য শিক্ষানুরাগীদের কাছ থেকে সাময়িক অনুদানের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ করা হয়।
তহবিলের প্রধান অংশ কর্জে হাসানায় ব্যয় হয়; এছাড়া বৃত্তি, পাবলিকেশনস, ক্যাম্পেইন, কোচিং এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ব্যবহৃত হয়।
একজন শিক্ষার্থী ঋণ পরিশোধ করার সাথে সাথেই তা পরবর্তী প্রয়োজনীয় শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। ফলে প্রতিটি অনুদান প্রথম শিক্ষার্থীকে সাহায্য করার পরও দীর্ঘমেয়াদে প্রভাব ফেলতে থাকে।
হ্যাঁ। ইনস পূর্ণ আর্থিক স্বচ্ছতা বজায় রাখে — সকল লেনদেন রেকর্ড করা হয় এবং একটি প্রকাশ্য আর্থিক প্রতিবেদনের মাধ্যমে শেয়ার করা হয়; দাতাগণ সরাসরি এসব রেকর্ড দেখতে পারেন।
মোবাইল: ০১৭১৬-৭৬৯১৫১, ০১৫৯৬-৬৪৩০০৩ · ই-মেইল: ins.org.24@gmail.com · ওয়েবসাইট: www.insbd.org · ফেসবুক: Initiative For Students (INS)।
এই তালিকায় উত্তর না থাকলে যোগাযোগ ফরম পূরণ করুন অথবা সরাসরি ফোন/ই-মেইলে যোগাযোগ করুন — আমরা যত দ্রুত সম্ভব সাড়া দেওয়ার চেষ্টা করি।
যোগাযোগ করতে চান?
আপনি যদি ইনিশিয়েটিভ ফর স্টুডেন্টস (INS)-এর কার্যক্রম সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন, মতামত বা পরামর্শ জানাতে চান, আমরা তা আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই। আপনার বার্তার অপেক্ষায় রয়েছি।
